সুন্দরগঞ্জে ৪ পুলিশ হত্যা ট্রাজেডির সাত বছর আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

0
29

উপজেলার বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের চার পুলিশ হত্যার ৭ম বর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
গত শুক্রবার ২৮ ফেব্রæয়ারি বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আয়োজনে থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহিল জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার প্রকৌশলী মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল আউয়াল, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্সপেক্টর তাজুল ইসলাম, বামনডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান নজমুল হুদা, বামনডাঙ্গা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি সমেস উদ্দিন বাবু, অধ্যক্ষ এ.কে.এম হাবিব সরকার, জাপা নেতা আব্দুল মান্নান মন্ডল, পৌর আ’লীগ সভাপতি আহসানুল করিম চাঁদ, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি রাশিদুল আলম চাঁদ, আ’লীগ নেতা রেজাউল আলম রেজা, ঘটনার প্রতক্ষ্যদর্শি আমিনুল ইসলাম, রেজাউল মাস্টার প্রমূখ। পরে নিহত চার পুলিশ সদস্যের পরিবারের হাতে শান্তনামূলক উপহার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। আলোচনা শেষে নিহত ৪ পুলিশের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রæয়ারি মানবতা বিরোধী অপরাধের আসামী জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ওইদিন সুন্দরগঞ্জে সাঈদি ভক্ত জনতারা তান্ডব চালিয়ে বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের চার পুলিশকে পিটিয়ে হত্যা করে। এছাড়া দুই শতাধিক দোকানপাট, বসত বাড়ি, অফিস ভাংচুর করে বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, বামনডাঙ্গা রেল ষ্টেশন, মুক্তিযোদ্ধা অফিসসহ ১২/১৩টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেয়। নিহত চার পুলিশ পরিবারের মধ্যে তোফাজ্জল হোসেনের স্ত্রী আরেফা বেগম ও হযরত আলীর স্ত্রী লায়লা বেগম জানায়, স্বামীর মৃত্যুর ৭ বছর অতিবাহিত হলেও আজ পর্যন্ত সরকারি তেমন কোন সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়নি। ছেলে-মেয়েদের কোথায় চাকুরীও মেলেনি। অভাব-অনাটনের মধ্যেই দিনাতিপাত করছি।