সুন্দরগঞ্জে ডাক্তারকে গালিগালাছ-হুমকি, মামলা ৪ বখাটে গ্রেফতার

0
16

ক্বারী মোঃ আবু জায়েদ খাঁন, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ৪ বখাটেকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
মামলা ও ঘটনাস্থল থানা সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে দিনগত রাতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অভ্যান্তরে ডাক্তার আবু হেনা আশরাফুল ইসলামকে অতর্কিতভাবে নানান প্রকারের ভয়-ভীতি ও কঠোর হুমকি-ধামকি প্রদর্শন করার সময় খবর পেয়ে থানার এসআই জসীম উদ্দিন সঙ্গীয় র্ফোস নিয়ে অভিযান চালিয়ে ৪ বখাটেকে গ্রেফতার করেন। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপর ২ বখাটে পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃত বখাটেরা হলো- সুন্দরগঞ্জ পৌর শহরের মহসীন আলীর পুত্র আব্দুর রাজ্জাক (৩৫), তারাপুর ইউনিয়নের নাচনী ঘগোয়া গ্রামের আতোয়ার রহমানের পুত্র আব্দুর রাজ্জাক, রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কান্দিরহাট এলাকার নিজপাড়া গ্রামের আব্দুল লতিফ খাঁনের পুত্র ফিরোজ খাঁন (৪০) ও একই উপজেলার মাঝবাড়ি কান্দি গ্রামের মৃত রাজু খাঁনের পুত্র জুয়েল খাঁন (৩৮)। এসময় পালিয়ে যাওয়া তাদের ২/৩ সহযোগীসহ ৬ জনকে আসামী করে ডাক্তার আবু হেনা আশরাফুল ইসলাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। যাহার মামলা নং-৪৮/১৯, ধারা-১৪৩/৪৪৮/৫০৬ দ:বি। ঘটনার সত্যতা জানিয়ে ডাক্তার আবু হেনা আশরাফুল ইসলাম বলেন- ‘বখাটেরা রাতের আধারে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে অবাধ বিচরণের পর আচমকা আমাকে ঘিরে ফেলে নানান প্রকারের কঠোরভাবে ভয়-ভীতি ও হুমকি-ধামকি প্রদর্শন করে’।
এব্যাপারে এসআই জসীম উদ্দিন জানান, রাতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক আবু হেনা আশরাফুল ইসলামকে বখাটেরা অতর্কিতভাবে নানান ভয়-ভীতি ও কঠোর হুমকি-ধামকিসহ তাঁকে অসঙ্গতভাবে ঘিরে রাখে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয়ে ৪ বখাটেকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের সহযোগী অপর ২ বখাটে পালিয়ে যায়। এব্যাপারে ৬ জনকে আসামী করে থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন ডাক্তার আবু হেনা আশরাফুল ইসলাম। গ্রেফতারকৃত ৪ বখাটেকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর ২ বখাটেকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এদিকে ডাক্তার আবু হেনা আশরাফুল ইসলাম, আশরাফুজ্জামান সরকার-উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, এমএম মারুফ-উল-আলম-মেডিকেল অফিসার, বিশ্বেশ্বর চন্দ্র বর্মন-মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মোঃ আব্দুর রহমান-এসএসিএমডিটিআইসি সাক্ষাৎকারে এ প্রতিনিধিকে জানান- মাতাল অবস্থায় মাদকসেবনকারীরা রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে এই ঘটনা ঘটান। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সেলিম রেজা বলেন- মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে মাদক সেবনকারী ও মাতাল অবস্থায় ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়নি।