সুন্দরগঞ্জে এক জমি দুই বার বিক্রি অভিযোগ শালিস দরবারে সমাধান নেই

0
36

অভিযোগ ও সরেজমিনে জনাগেছে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনমথ গ্রামের নন্দ রায় দাস এর ছেলে নগেন্দ নাথ দাস একই গ্রামের ইসমাইল হোসেনের দুই কণ্যা মোছাঃ আয়শা খাতুন ও রশিদা খাতুনকে জি এল/১০ মৌজা: মনমথ, আর এস:৯৭৯, দাগ:৩৮২২, ৫০ শতকের মধ্যে ২২ শতক জমি দলিল মূলে বিক্রি করে। যাহার দলিল নম্বর ৮০৪৯/৭২ তারিখ:২৮/০৮/৭২ দাতার মৃত্যুর পর তাহার তিন পুত্র শ্রীঃ হরেন্দ্র নাথ দাস, শ্রীঃ গোপাল চন্দ্র ও শ্রীঃ নেপাল চন্দ্র দাস একই দাগে ১৯৯৩ সালে উক্ত গ্রামের শাহ ফজলে করিমের ছেলে শাহ মোঃ মাজারুল ইসলাম এর নিকট ২৫ শতক জমি বিক্রয় করেন যাহার দলিল নম্বর ২১৮৬ তার সাল ১৯৯৩ তারিখ ১৪/০২/১৯৯৩। পুনরায় এই মাজারুল ইসলাম ১০ শতক জমি ক্রয় করেন যাহার দাগ ও জি এল ভিন্ন, দলিল নম্বর ১০৬০৬ তারিখ:০৫/১২/৯৩। দলিলে উল্লেখ করা হয় ভবিষ্যতে দলিলকৃত জমি বেদখল হইলে ৯৫৩ নম্বর খতিয়ানে ৩৪৪৬ দাগে গ্রহিতা জমি বুঝিয়া পাইবেন বলে উল্লেখ করা হয়। যাহা দাতা দিতে বাধ্য থাকিবেন। এই মর্মে মাজারুল ইসলাম দাগ সংশোধনের মোকাম ছিনিয়ন সহকারি জর্জ আদালতে সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা মামলা করেন। যাহার মামলা নম্বর ১৫/১৬ তাং:০১/০২/২০১৬ইং। উক্ত মামলায় গাইবান্ধা সিনিয়র সহকারি জর্জ আদালতের বিচারক জনাব পবন চন্দ্র বর্মন সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা রায় প্রদান করেন যাহার ক্রমিক নম্বর ৩৪৬৮/২০১৮ তাং: এদিকে প্রভাবশালী অর্থবিত্ত মাজারুল এর ছেলে নাজমুল হোসেন হিরা গায়ের জোরে জমি বেদখল করে আসছেন। এই ঘটনায় সুন্দরগঞ্জ থানায় দুই বছর ধরে চলছে অভিযোগ ও শালিস দরবার। সমাধানের চেষ্টায় গাইবান্ধা জেলার পুজা উদজাপন কমিটির সভাপতি সুর্য বখশি রায় এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম প্রধান সুন্দরগঞ্জ তদন্ত ওসি এস আই বাবুল, বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের আওয়ামি লীগের সভাপতি সমেশ উদ্দিন বাবু ,সাবেক কমিশনার কুলু মিয়া, সুন্দরগঞ্জ কৃষক লীগ নেতা ও পৌর কাউন্সিলর শরিফ খান সহ এলাকার বহু গণ্যমান্য ব্যক্তি শালিস দরবার করেন। পরিশেষে ২২/০৯/২০১৮ইং সুন্দরগঞ্জ থানায় মোছাঃ আয়শা আক্তার বাদি হয়ে নাজমুল হোসেন হিরা সহ ৩জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগ দায়ের করেন। দায়ের কৃত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯/০৯/২০১৯ ইং তারিখে সুন্দরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সোবাহান বামনডাঙ্গা তদন্ত কেন্দ্রের এস আই জহুরুল হককে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করা হলেও ব্যর্থ হন জহুরুল হক । তিনি তার অভিযোগপত্রে লিখিতভাবে উল্লেখ করেন বিবাদিগণ জমি ছেড়ে দেবে না। অভিযোগ কারিনী কাগজপত্রাদিতে জমির মালিক বলে প্রমাণিত হয়। এব্যাপারে প্রতিনিধি তদন্তকারি কর্মকর্তার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে স্বীকার করেন। তাহলে প্রভাব ও অর্থশালীর নিকট আইন কি অবরুদ্ধ? এর বিচার করবে কে? এব্যাপারে এলাকায় খুন,জখম ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আসঙ্কা বিরাজ করছে। প্রসাশন নজর দেবেন কি?