টানা দ্বিতীয় জয়ে এগিয়ে গেলো নিউজিল্যান্ড

0
23

ঘরের মাঠে হার দিয়ে সিরিজ শুরু করলেও টানা দুই জয়ে সিরিজে এগিয়ে গেলো নিউজিল্যান্ড। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডকে ১৪ রানে হারিয়ে সিরিজ জয়ের পথ অনেকটা সহজ করে রাখলো টিম সাউদির দল।

প্রথমে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ডের দেয়া ১৮১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রানে থামে সফরকারী ইংল্যান্ডের ইনিংস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৫ রান আসে ডেভিড মালানের ব্যাট থেকে।

মঙ্গলবার স্যাক্সটন ওভালে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন কিউই অধিনায়ক সাউদি।

শুরুতেই ঝড় বেইয়ে দেয়ার ইঙ্গিত দিয়ে শুরু করেন দুই ওপেনার মার্টিন গাপটিল ও কলিন মুনরো। ৩.৫ ওভারে ৪০ রানের মাথায় ৮ রান করে মুনরো আউট হলেও গাপটিল ছিলেন আক্রমণাত্মক। ১৭ বলে ৭ চারে ৩৩ রান করে তিনি ফেরেন দলীয় ৪২ রানের মাথায়। দুই ওপেনার পর পর ফিরে গেলে কিছুটা চাপে পড়লেও কলিন ডি গ্রানডহ্যামের ফিফটি ও পরের ব্যাটসম্যানদের ছোট ছোট ইনিংসের কল্যাণে বড় লক্ষ্য পায় কিউইরা। ৩৫ বলে ৫৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন গ্রান্ডহ্যাম। ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ইনিংসটি সাজান তিনি। রস টেলরের ব্যাট থেকে আসে ২৪ বলে ২৭। জেমস নিশামের ১৫ বলে ২০ মিচেল স্যান্টনারের ৯ বলে ১৫ রানের ওপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান সংগ্রহ করে নিউজিল্যান্ড।

ইংলিশ বোলারদের মধ্যে টম কারান ২টি, সাম কারান, সাকিব মাহমুদ, পাত্রিক ব্রাউন ও ম্যাথু পার্কিনসন একটি করে উইকেট শিকার করেন।

১৮১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডেরও শুরুটা হয় দারুণভাবে। ২.৫ ওভারে ২৭ রান তোলেন দুই ওপেনার টম বেন্টন ও ডেভিড মালান। ১০ বলে ১৮ রানে বেন্টন সাজঘরে ফিরে গেলেও মালান চালিয়ে যান তাণ্ডব। ৩৪ বলে ৫৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন মালান। ৮ চার ও এক ছয়ে ইনিংসটি সাজান তিনি। ৯০ রানের মাথায় মালান ফিরে গেলেও মনে হচ্ছিলো ম্যাচটি ইংল্যান্ডই জিতবে। কারণ তখন ওয়ানডাইনে নামা জেমস ভিন্স ও ইয়ন মরগান ছিলেন মাঠে। হাতে রয়েছে ৮ ব্যাটসম্যান। দলীয় ১৩৯ রানের মাথায় ১৩ বলে ১৮ রান আসে মরগান ফিরে গেলে হঠাৎ ধস নামে ইংলিশ ব্যাটিং লাইন আপে। মাঠে নেমে ১ রান করে সাম বিলিংস। পর পর ফিরে গেলেন থিতু হয়ে থাকা ভিন্সও । ৩৯ বলে ৪৯ রানের ইনিংসে খেলেন ভিন্স। সাম কারান ২ ও লুআজি গ্রেগরী ০ রানে ফিরে গেলে হার অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায় ইংলিশদের। শেষ দিকে টম কারানের ১০ বলে ১৪ ও সাকিব মাহমুদের ৪ বলে ৩ রান হারের ব্যবধান কমানো ছাড়া কিছুই করতে পারেননি।

কিউই বোলারদের মধ্যে লকি ফার্গুসন ও ব্লেয়ার টিকনার ২টি, ইশ সদি ও মিচেল স্যান্টনার একটি করে উইকেট শিকার করেন।